আলোকিত গণমাধ্যম

ফেনীতে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল 'মাছরাঙা টেলিভিশন' গৌরবময় সাফল্যের ১৫ বছর পূর্ণ করেছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফেনীতে 'মাছরাঙা' টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ফেনী প্রেসক্লাবে মাছরাঙা টেলিভিশনের রিপোর্টার জমির বেগের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিফাত আসমা।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুল।

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

 আর্থিক সেবার প্রসার এবং ক্যাশলেস লেনদেনকে জনপ্রিয় করতে ফেনীতে ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) প্রচারণা কর্মসূচি ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করেছে সোনালী ব্যাংক পিএলসি।সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস ফেনী ও ফেনী শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রিন্সিপাল অফিস ফেনীর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ খায়রুল আনাম ভূঞা।এ সময় সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) প্রিয়ব্রত বিশ্বাস, মো. আলী মাহমুদ, মো. নোমান ছিদ্দিক, ফেনী অঞ্চলের বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।র‍্যালিটি শহরের মিজান রোডস্থ সোনালী ব্যাংক ফেনী শাখা থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।পরে পরিচালিত সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিক, নিরাপদ ও সহজ ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা তুলে ধরা হয়। এ সময় ব্যাংকের কর্মকর্তারা লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি কিউআর কোড ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যবহারিক ধারণা দেন।ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, দেশের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে এবং নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতেই এ ধরনের প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

 আর্থিক সেবার প্রসার এবং ক্যাশলেস লেনদেনকে জনপ্রিয় করতে ফেনীতে ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) প্রচারণা কর্মসূচি ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করেছে সোনালী ব্যাংক পিএলসি।সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস ফেনী ও ফেনী শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রিন্সিপাল অফিস ফেনীর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ খায়রুল আনাম ভূঞা।এ সময় সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) প্রিয়ব্রত বিশ্বাস, মো. আলী মাহমুদ, মো. নোমান ছিদ্দিক, ফেনী অঞ্চলের বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।র‍্যালিটি শহরের মিজান রোডস্থ সোনালী ব্যাংক ফেনী শাখা থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।পরে পরিচালিত সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিক, নিরাপদ ও সহজ ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা তুলে ধরা হয়। এ সময় ব্যাংকের কর্মকর্তারা লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি কিউআর কোড ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যবহারিক ধারণা দেন।ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, দেশের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে এবং নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতেই এ ধরনের প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

ঈদের আগেই মিলবে ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট

 আর্থিক সেবার প্রসার এবং ক্যাশলেস লেনদেনকে জনপ্রিয় করতে ফেনীতে ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) প্রচারণা কর্মসূচি ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করেছে সোনালী ব্যাংক পিএলসি।সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস ফেনী ও ফেনী শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রিন্সিপাল অফিস ফেনীর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ খায়রুল আনাম ভূঞা।এ সময় সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) প্রিয়ব্রত বিশ্বাস, মো. আলী মাহমুদ, মো. নোমান ছিদ্দিক, ফেনী অঞ্চলের বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।র‍্যালিটি শহরের মিজান রোডস্থ সোনালী ব্যাংক ফেনী শাখা থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।পরে পরিচালিত সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিক, নিরাপদ ও সহজ ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা তুলে ধরা হয়। এ সময় ব্যাংকের কর্মকর্তারা লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি কিউআর কোড ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যবহারিক ধারণা দেন।ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, দেশের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে এবং নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতেই এ ধরনের প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতে ফেনীতে সোনালী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ ক্যাম্পেইন

ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতে ফেনীতে সোনালী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ ক্যাম্পেইন

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

ফেনীতে জুয়ার আসার থেকে ১৫ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

ফেনীতে জুয়ার আসার থেকে ১৫ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতা হাবিবুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতা হাবিবুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফেনীতে পুনঃখনন শেষে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

ফেনীতে পুনঃখনন শেষে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

উত্তরপ্রদেশে মসজিদ-মাদ্রাসা টার্গেট করে উচ্ছেদ অভিযান

উত্তরপ্রদেশে মসজিদ-মাদ্রাসা টার্গেট করে উচ্ছেদ অভিযান

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

ফেনীতে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

ফেনীতে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

দুর্নীতির পাহাড় মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে, অভিযোগ কাদির ও সহ-কারি হারিসে'র বিরুদ্ধে

দুর্নীতির পাহাড় মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে, অভিযোগ কাদির ও সহ-কারি হারিসে'র বিরুদ্ধে

ফেনীতে পুনঃখনন শেষে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

ফেনীতে পুনঃখনন শেষে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে- মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু

১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে- মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হলেন ডা. রুবাইয়াত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হলেন ডা. রুবাইয়াত

ফেনী গণপূর্তের অফিস সহকারি রানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ফেনী গণপূর্তের অফিস সহকারি রানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

দুর্যোগে বিচ্ছিন্ন পরিবারের পুনর্মিলনে রেড ক্রিসেন্টের প্রশিক্ষণ

দুর্যোগে বিচ্ছিন্ন পরিবারের পুনর্মিলনে রেড ক্রিসেন্টের প্রশিক্ষণ

ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতে ফেনীতে সোনালী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ ক্যাম্পেইন

ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতে ফেনীতে সোনালী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ ক্যাম্পেইন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতা হাবিবুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতা হাবিবুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

সব বিভাগের খবর

দুর্নীতির পাহাড় মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে, অভিযোগ কাদির ও সহ-কারি হারিসে'র বিরুদ্ধে

রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা গ্রহণে অনিয়ম, হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কয়েকজন সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দলিল নিবন্ধনের বিভিন্ন ধাপে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা বা বিলম্বের ঘটনা ঘটে।অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির ও সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার হারিসের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, অফিসের কার্যক্রমে দালালচক্রের প্রভাব রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।এ ছাড়া, দুই কর্মকর্তার সম্পদ ও আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।স্থানীয়দের মতে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।তবে এ প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির ও সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার হারিসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।

গণমাধ্যম তোষামোদির সংস্কৃতিতে জড়াক, তা চাই না: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণমাধ্যম যেন তোষামোদির সংস্কৃতিতে জড়িয়ে না পড়ে। তিনি বলেন, ‘কেন জানি জাতিগতভাবে আমরা তোষামোদি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছি না। গণমাধ্যম তোষামদি করুক, সেটা আমরা চাই না।’ রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এ ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনইসির সভাপতি মাহমুদুর রহমান। মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন রাষ্ট্র নির্মাণের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদদের স্বজনদের সামনে দাঁড়ালে নিজেকে অপরাধী মনে হয়। গণতন্ত্রের আন্দোলনে বহু মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে জুলাইয়ের আন্দোলনে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে গভীর বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, এই আত্মত্যাগ যেন কখনো বিস্মৃত না হয়, সেজন্য ইতিহাস সংরক্ষণ ও স্মরণ রাখা অত্যন্ত জরুরি। 

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

দুর্নীতির পাহাড় মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে, অভিযোগ কাদির ও সহ-কারি হারিসে'র বিরুদ্ধে

দুর্নীতির পাহাড় মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে, অভিযোগ কাদির ও সহ-কারি হারিসে'র বিরুদ্ধে

রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা গ্রহণে অনিয়ম, হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কয়েকজন সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দলিল নিবন্ধনের বিভিন্ন ধাপে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা বা বিলম্বের ঘটনা ঘটে।অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির ও সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার হারিসের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, অফিসের কার্যক্রমে দালালচক্রের প্রভাব রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।এ ছাড়া, দুই কর্মকর্তার সম্পদ ও আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।স্থানীয়দের মতে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।তবে এ প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির ও সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার হারিসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।

গণমাধ্যম তোষামোদির সংস্কৃতিতে জড়াক, তা চাই না: মির্জা ফখরুল

গণমাধ্যম তোষামোদির সংস্কৃতিতে জড়াক, তা চাই না: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণমাধ্যম যেন তোষামোদির সংস্কৃতিতে জড়িয়ে না পড়ে। তিনি বলেন, ‘কেন জানি জাতিগতভাবে আমরা তোষামোদি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছি না। গণমাধ্যম তোষামদি করুক, সেটা আমরা চাই না।’ রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এ ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনইসির সভাপতি মাহমুদুর রহমান। মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন রাষ্ট্র নির্মাণের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদদের স্বজনদের সামনে দাঁড়ালে নিজেকে অপরাধী মনে হয়। গণতন্ত্রের আন্দোলনে বহু মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে জুলাইয়ের আন্দোলনে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে গভীর বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, এই আত্মত্যাগ যেন কখনো বিস্মৃত না হয়, সেজন্য ইতিহাস সংরক্ষণ ও স্মরণ রাখা অত্যন্ত জরুরি। 

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

দুর্নীতির পাহাড় মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে, অভিযোগ কাদির ও সহ-কারি হারিসে'র বিরুদ্ধে

দুর্নীতির পাহাড় মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে, অভিযোগ কাদির ও সহ-কারি হারিসে'র বিরুদ্ধে

রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা গ্রহণে অনিয়ম, হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কয়েকজন সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দলিল নিবন্ধনের বিভিন্ন ধাপে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা বা বিলম্বের ঘটনা ঘটে।অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির ও সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার হারিসের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, অফিসের কার্যক্রমে দালালচক্রের প্রভাব রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।এ ছাড়া, দুই কর্মকর্তার সম্পদ ও আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।স্থানীয়দের মতে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।তবে এ প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির ও সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার হারিসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা অংশ নিতে চায় জামায়াত, জোটের অন্যরা কী করবে

একসময়ে বিএনপি জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামী এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১১–দলীয় ঐক্য গড়ে। কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে এসে সেই জোটের মধ্যে দেখা যাচ্ছে মতভেদ। এ অবস্থায় সামনের স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার চিন্তা চলছে জামায়াতে, তবে জোটভুক্ত কয়েকটি দলের ভাবনা ভিন্ন।১১–দলীয় ঐক্যের একাধিক সূত্র জানায়, জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। অন্য কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের মতোই সমন্বিত কৌশলের পক্ষপাতী।আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকারের কয়েকটি স্তরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল সাজাচ্ছে।সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই হবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলগুলোর প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রায় সব দল। সে কারণেই প্রার্থী ও সমঝোতা নিয়ে আলোচনা আগেভাগেই শুরু হয়েছে।১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় না থাকলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। যেসব এলাকায় ঐক্যভুক্ত একাধিক দলের শক্ত অবস্থান রয়েছে, সেখানে একক প্রার্থী না দিলে ভোট ভাগ হয়ে যাবে।অন্যদিকে জামায়াত মনে করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা ও স্থানীয় নেতৃত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্র। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত।সরকার ও ইসি সূত্র জানায়, আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এরপর ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশনসহ অন্য স্তরগুলোর নির্বাচন হবে।জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। এ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকেও (এনসিপি) যুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।জামায়াত কী ভাবছেজামায়াতের নেতাদের যুক্তি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসনভিত্তিক নয়; ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। এ নির্বাচন দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি দলের নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা উচিত।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে সে ধরনের সমঝোতা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনও হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা থাকবে না।জামায়াতকে বাদ দিয়ে কয়েকটি দলের সমঝোতার আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এমন কোনো আলোচনার বিষয়ে তাঁর জানা নেই। পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হলেন ডা. রুবাইয়াত

অধিদপ্তরের নতুন উপ-পরিচালক (অর্থ) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম। তিনি এ পদে ডা. শেখ ইফতেখার রহমানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিমকে বদলিপূর্বক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) (চলতি দায়িত্ব) পদে পদায়ন করা হয়েছে।একই প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ডা. শেখ ইফতেখার রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ঠোঁট-তালুকাটা শিশুদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার কর্মসূচির উদ্বোধন

জন্মগত ঠোঁট ও তালুকাটা শিশুদের জন্য সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে বিনামূল্যে বিশেষ অস্ত্রোপচার কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ।শনিবার (১৮ জুলাই) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার শিশু ঠোঁট বা তালুকাটা সমস্যাসহ জন্মগ্রহণ করে। একটি সফল অস্ত্রোপচার একটি শিশুর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করে। এ ধরনের জন্মগত ত্রুটি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।তিনি জানান, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সব কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে উপদেষ্টা সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের কল সেন্টারের উদ্বোধন করেন। এ সময় জনপ্রশাসন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।